ব্লগ কি ও কেন? (What is Blog in Bengali) ব্লগ কিভাবে তৈরি করবো, [Full Step By Step Guide] - MdtecHelper (Education-Career-Earnings)

Latest

March 01, 2021

ব্লগ কি ও কেন? (What is Blog in Bengali) ব্লগ কিভাবে তৈরি করবো, [Full Step By Step Guide]

যখনই কেও ব্লগ শব্দটি শুনতে পায় বা তার বন্ধুদের কাছে বলতে শোনে, তো সাথে সাথেই প্রথম তার মনের ভিতর যে প্রশ্নটি জেগে উঠে সেটি হলো ব্লগ কি? (What is Blog in Bengali)

ব্লগ কিভাবে কাজ করে, ব্লগ থেকে কত টাকা ইনকাম করা যাই, এছাড়াও যে প্রশ্ন গুলি আপনাদের মাথায় ঘুরপাক খায় সেগুলি হলো Student রা তাদের পড়াশুনা করার পাশাপাশি কি ব্লগিং করতে পারবে। 

একটা নতুন ব্লগ তৈরী করে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে কত সময়ের প্রয়োজন হবে।

What is Blog in Bengali
What is Blog in Bengali

তো বন্ধুরা, আজকের এই আর্টিকেলটিতে ব্লগ সম্মন্ধে যত প্রকার প্রশ্ন হয়ে থাকে সমস্ত কিছু বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। 

দয়া করে শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন। এবং আপনার মতামত নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানতে ভুলবেন না।

⇛ ব্লগ কি? (What is Blog):

ব্লগ কি এই বিষয়টা জানার আগে প্রথমেই আপনাকে ওয়েবসাইট সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। তাহলেব্লগিং সম্মন্ধে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

ওয়েবসাইট সম্মন্ধে মুটামুটি আমাদের সবারই একটা ধারণা রয়েছে, যে গুগলে কোনোকিছু সার্চ করলে যে রেজাল্ট শো হয় সেগুলি প্রত্যেকটিই একটি ওয়েবসাইট।

What is blog in Bengali
What is blog in Bengali

কিন্তু, এই ওয়েবসাইট গুলি সবগুলি একই নয়। এর প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা ভাগ রয়েছে।

যেমন- Business Website, E-Commerce Website, Educational Website, Government Website এবং Blogger একটি ওয়েবসাইট।

⇛ ব্লগ কি সত্যিই ওয়েবসাইট (Is Blog Are Really Website):

হ্যাঁ, আগেই বললাম ব্লগ ও এক ধরণের ওয়েবসাইট। বিশেষ করে যেই ওয়েবসাইট গুলিতে কোনো ইনফরমেশন বা কনটেন্ট পাই সেগুলি ওয়েবসাইট কেই ব্লগ ওয়েবসাইট বলা হয়।

⇛ ব্লগ কিভাবে কাজ করে? (How Blogs Work):

দৈনন্দিন জীবনে আমরা কত কিছুই না গুগল এ সার্চ করি। এবং আমাদের প্রয়োজন মতো বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশুনার মাধমে অনেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করি। 
How dose work blog
How dose work blog

কিন্তু, আমরা একটি বারের জন্যও ভেবে দেখি না যে এগুলি গুগলে আসলো কিভাবে। কারাই বা এগুলি লিখে রেখেছে, কেন লিখে রেখেছে।

এখানেই গল্প শুরু হচ্ছে Blogging এর।

আরেকটা উদহারণ দিলে বুঝতে সুবিধে হবে। 

আপনি বলতে পারবেন একটা লাইব্রেরি কি জন্য পরিচিত ? হাঁ, আমি জানি আপনারা সবাই জানেন লাইব্রেরি কি জন্য পরিচিত। 

এখানে হাজারো রকমের বই পাওয়া যাই। যেখানে মানুষ তাদের প্রয়োজন মতো জ্ঞান অর্জনের জন্য যাই এবং সেখান থেকে বিভিন্ন প্রকার বই পরে। 

সেম একই ভাবে, মানুষ তাদের নিত্য দিনের প্রয়োজনীয় কোয়ারি গুলো গুগলে সার্চ করে

এবং গুগল তাদের কোয়ারি অনুযায়ী বিভিন্ন ওয়েবসাইট কে তাদের সামনে নিয়ে আসে যাতে করে তারা তাদের প্রয়োজনীয় কোয়ারিটি সহজে পেয়ে যাই। 

আমার মনে হয় এখন আপনি বুঝতে পেরেছেন ওয়েবসাইট কিভাবে কাজ করে

⇛ ব্লগ কে শুরু করতে পারে। (Who Can Start A Blog?)

একটি ব্লগ শুরু করতে কোনো নিদৃষ্ট কোয়ালিফিকেশন এর প্রয়োজন নেই। এটা চাইলে যে কেউ শুরু করতে পারে। কোনো বয়সের লিমিট বা লিঙ্গের পার্থক্য নেই। 

How to start a blog
How to start a blog

যদি আপনার কাছে কোনো বিষয়ের উপরে সঠিক নলেজ থাকে তাহলেই যথেষ্ট একটি ব্লগ শুরু করার জন্য।

কে কে ব্লগ শুরু করতে পারবে, তার উপর কয়েক শ্রেণির মানুষ কে নিয়ে একটা বিস্তারিত আর্টিকেল লিখা রয়েছে। 

প্রথমে আপনারা গিয়ে সেটা পড়ুন।

⇛ ব্লগ শুরু করতে কি কি প্রয়োজন? (What You Need To Start A Blog):

যখনই আপনি ডিসাইড করবেন ব্লগ শুরু করার তখন সর্বপ্রথম যেটা প্রয়োজন হবে সেটা হলো - আপনাকে জানতে হবে একটি ব্লগ শুরু করতে কি কি প্রয়োজন হয়।

একটি ব্লগ শুরু করতে বেশ কিছু জিনিসের প্রয়োজন হয়। যেমনঃ

  • ১. একটি গুগলের একাউন্ট (জিমেইল)
  • ২. একটি ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (মোবাইল, ল্যাপটপ, ডেক্সটপ, ট্যাবলেট)
  • ৩. একটি ডোমেইন নাম (আপনার ওয়েবসাইটের নাম। যেমন- গুগল, ফেইসবুক, ইউটুব,) এখন মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পাওয়া যাই।
  • ৪. একটি হোস্টিং বা সার্ভার। (যেখানে আপনার ওয়েবসাইটকে হোস্ট করবেন।)
  • ৫. একটি প্রিমিয়াম থিম। (ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা টেমপ্লেট)

আরো ভালো ভাবে জানতে হলে এই ভিডিওটি দেখুন।


প্রথম অবস্থায় একটি ব্লগ শুরু করতে এই সব জিনিস গুলোর প্রয়োজন হয়। যেটার টোটাল কস্ট মিনিমাম ৩০০০ টাকা হয়।

কিন্তু, আপনার টেনশন করার কোনো প্রয়োজন নেই। 

আমি জানি, এমন অনেকে আছেনা যাদের প্রথম অবস্থায় এতগুলো টাকা ইনভেস্ট করার মতো সমর্থ নেই।

তাদের জন্য খুশির খবর, তারা চাইলে ফ্রি তে একটা ব্লগ সেটআপ করতে পারেন। 

সেটা কিভাবে করবেন তা পড়ার জন্য এই আর্টিকেলটি পড়ুন। 

ফ্রীতে ব্লগ সেটআপ করার জন্য আপনার শুধুমাত্র উপরে বলা ১,২,৩ নাম্বার পয়েন্টের জিনিসগুলোর প্রয়োজন হবে। 

এখানে শুধুমাত্র আপনার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার প্রয়োজন হবে একটি ডোমেইন নেম কিনতে। 

[Important Note: কেন ডোমেইন নাম বাধ্যতামূলক এটি জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন]

⇛ ডোমেইন এবং হোস্টিং কিভাবে কিনবেন। (How To Buy A Domain And Hosting):

এমনিতেই হাজারও কোম্পানি রয়েছে, যারা Domain এবং Hosting সেল করে। কিন্তু, 

নতুনদের কথা মাথায় রেখে এবং খুব কম দামে কোন কোন কোম্পানি Domain এবং Hosting প্রোভাইড করে শুধুমাত্র সেই কোম্পানি গুলির নাম বলছি।

যদি আপনি শুধুমাত্র Domain নাম কিনে ব্লগারে ওয়েবসাইট সেটআপ করতে চাইছেন। 

তাহলে এই কোম্পানি গুলো আপনার জন্য বেস্ট হতে পারে। এখানে খুব সস্তা দামে আপনি ডোমেইন কিনতে পারবেন। 

এছাড়াও, যারা ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ সেটআপ করতে ইচ্ছুক তারা নিচের কোম্পানি গুলি থেকে Domain এবং Hosting খুব সস্তায় কিনতে পারেন। 

1. Hiox India:

Hiox India
Hiox India

এটি একটি ইন্ডিয়ান ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি। এখানে আপনি শুধুমাত্র 250 টাকায় .in এবং 400 টাকায় .com Domain পাবেন।

এছাড়াও খুব সস্তা দামে Hosting পেয়ে যাবেন। যদি আপনি .in ডোমেইনের সাথে ১ বছরের হোস্টিং নেন তাহলে শুধুমাত্র 499 টাকায় পেয়ে যাবেন। 

Hiox India
Hiox India Best Plans

আর যদি .com ডোমেইনের সাথে ১ বছরের হোস্টিং নেন তাহলে শুধুমাত্র 999 টাকায় পেয়ে যাবেন।

নিচের লিংকে ক্লিক করে চেকআউট করতে পারেন। 

Checkout the hosting..... 

2. Godaddy:

Godaddy
Godaddy

এটিও একটি ইন্ডিয়ান ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি। এখানে আপনি শুধুমাত্র 300 টাকায় .in এবং 500 টাকায় .com ডোমেইন পাবেন।

কিন্তু, যখন অফার চলে তখন শুধুমাত্র 100 টাকায় .in এবং 150 টাকায় .com ডোমেইন পাওয়া যাই।

Godaddy
Godaddy Best Plans

কিন্তু, এই ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে Hosting নিতে মানা করবো। এখানে হোস্টিং এর দাম খুব বেশি থাকে।

Checkout the domain..... 

3. Hostinger:

Hostinger
Hostinger

Hostinger একটি বিশ্বব্যাপী খুব নামি ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি। আপনি খুব কম দামে উন্নতমানের (High Speed) হোস্টিং পাবেন এখান থেকে। 

Hostinger
Hostinger Best Plans


আমার রিকমেন্ডেশন থাকবে আপনারা এই ওয়েবসাইট থেকে শুধুমাত্র Hosting কিনবেন।

Checkout the hosting..... 

ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনার আগে এই ভিডিওটি অবশ্যয় দেখবেন।


⇛ কি টপিক সিলেক্ট করবো। (Profitable Niches For Blogger):

যখন আপনার ব্লগ সেটআপ করা কমপ্লিট হয়ে যাবে তখন প্রয়োজন হবে আপনার একটি প্রফিটেবল টপিক। যার উপর আপনি আর্টিকেল লিখবেন।

আমি নিচে আপনাদেরকে কিছু Profitable Niches For Blogger এর লিস্ট দিয়ে দিলাম। 

তোমরা তোমাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি টপিক সিলেক্ট করে আর্টিকেল লিখা শুরু করে দিবেন।

আপনারা যেটাই টপিক সিলেক্ট করুন না কেন? একটা কথা মনে রাখবেন - 

যে সেই টপিকের কম্পিটিশন যেন কম থাকে এবং এর সাথে CPC যেন হাই থাকে। 

আমি আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু টপিকে ষ্টার চিহ্ন দিয়ে মার্ক করে দিলাম। 

২টি ষ্টার চিহ্ন মানে মিডিয়াম CPC এবং ৩টি ষ্টার মানে হাই CPC। 

Blogger niches

⇛ Blogger Categories...


  • • Arts and Entertainment
  • • Automobve **
  • • Book Reviews
  • • Business ***
  • • Cancer
  • • Communications
  • • Computers and Technology **
  • • Finance ***
  • • Food and LInnk
  • • Health and Fitness ***
  • • Horne and Family
  • • Horne Based Business
  • • Home Improvement
  • • Insurance ***
  • • Internet and Businesses Online
  • • Invesbng
  • • Kids and Teens
  • • Legal
  • • News and Society
  • • Real Estate ***
  • • Recreabon and Sports **
  • • Reference and Education **
  • • Relationships
  • • Self Improvement
  • • Shopping and Product Reviews **
  • • Travel and Leisure ***
  • • Waling and Speaking

⇛ একটি নতুন ব্লগ রাঙ্ক হতে কত টাইম লাগবে।

একটি ব্লগ রাঙ্ক হওয়া সম্পূর্ণ আপনার উপর ডিপেন্ড করবে। 

আপনি সেই ব্লগটি নিয়ে কতটা সিরিয়াস, আপনি সেই ব্লগে কতটা টাইম স্পেন্ড করছেন, রেগুলার একটিভ থাকছেন কি না,আর্টিকেল পাবলিশে রেগুলারিটি মেনটেইন করেছন কি না ইত্যাদি। 

How to rank blog
How to rank blog

এছাড়াও, আপনার সব পোস্টগুলিকে গুগল সার্চ কনসোলে সাবমিট করছেন কি না।

আপনি পোস্টগুলিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করছেন কি না। এই সমস্ত কিছু আপনাকে রেগুলার করে যেতে হবে।

যদি আপনি এই সবকিছু ঠিকঠাক করে যান তাহলে আপনার ব্লগটি খুব জলদি রাঙ্ক হবে।

যদি সহজ ভাষায় বলি তাহলে একটি নতুন ব্লগ রাঙ্ক হতে কমপক্ষে 3 মাস লাগবে। কারণ আপনার ব্র্যান্ড টি গুগলের কাছে পরিচিত হতে টাইম তো লাগবেই। 

এছাড়াও সেই ডোমেইন এর অথিরিটি এবং পেজ অথিরিটি বিল্ড হতে টাইম লাগবে। 

তো আপনি কন্টিনিয়াসলি কাজ করে যান অবশ্যয় ব্লগটি Rank হবে।

⇛ কি কি উপায়ে ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায়। (Types Of Earning Way From A Blog): 

একটি ব্লগ থেকে ইনকামের জন্য অনেক রাস্তা রয়েছে। 

কিন্তু, আমাদের ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টে (ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান) সব চেয়ে পপুলার রয়েছে দুটি প্লাটফ্রম - 

একটি হলো গুগল এডসেন্স এবং অন্যটি এফিলিয়েট মার্কেটিং 

কিন্তু, আমি এখানে এই দুটি প্লাটফ্রম ছাড়াও আরো কয়েকটি প্লাটফ্রম সম্পর্কে বলবো যেগুলো বাইরের দেশগুলিতে বেশি ব্যবহার হয়।

  • Google Adsense
  • Media Net
  • Ezoic
  • Affiliate Marketing
  • Promotional Post
  • CPA Marketing
  • Brand Promotion

সবগুলি প্লাটফর্ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। 

Conclusion About What is Blog in Bengali:

একটি সফল ব্লগ কীভাবে শুরু করবেন সে সম্পর্কে উপসংহার?

একটি ব্লগ শুরু করার জন্য সঠিক গাইড এবং কীওয়ার্ড সন্ধান করা সর্বদা চ্যালেঞ্জিং বিষয়।

তবে আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছি তা আপনাকে একটি সফল ব্লগ কীভাবে শুরু করবেন সে সম্পর্কে আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়তা করবে।

দ্বিতীয় সর্বাধিক চ্যালেঞ্জ হ'ল সঠিক হোস্টিং এবং প্ল্যাটফর্মটি অনুসন্ধান করা, আসা করছি এই আর্টিকেলটি ওয়েবসাইট স্পীড এবং ভাল পরিষেবা দিতে আপনাকে সাহায্য করবে।

নতুনদের জন্য আমার তালিকায়, এ 2 হোস্টিং বা হোস্টিংগার একটি উপযুক্ত পছন্দ।

আপনার লক্ষ্য যদি হয় অনলাইন একটা ক্যারিয়ার বিল্ড করা এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা অর্জন করা, তাহলে আপনি অবশ্যয় ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে শুরু করুন।

এই আর্টিকেলটি লিখতে আমার 7 দিনেরও বেশি সময় লেগেছে, এবং আমি  নিজেকে আপনার অবস্থানে ভেবে প্রতিটি সম্ভাব্য সত্যই আমি আপনাদের জন্য উপস্থাপন করেছি।

এই আর্টিকেলটিতে "What is Blog in Bengali" আপনি যা শিখেছেন তার অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করে দিন।

আরও এই ধরণের আর্টিকেল পাওয়ার জন্য আমাদের ব্লগটির সাথে কানেক্টেড থাকবেন। 

খোদা হাফেজ।

Important Note:

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত কন্টেন্টের কপিরাইট অধিকার শুধুমাত্র ব্লগের ওনারের রয়েছে। এবং ওয়েবসাইটটি DMCA -এর মাধ্যমে প্রটেক্ট রয়েছে। 

যদি কেও এই ওয়েবসাইটের কোনো কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে তাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা এবং আইনত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

যার ফলস্বরূপ, তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে এবং ৫ বছর কারাদণ্ডে থাকতে হবে। তাই কপি পেস্ট করা এড়িয়ে চলুন। এটি অনেক বড়ো জুরম।

No comments:

Post a Comment